শিরোনাম
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের বক্তব্যে ভারতে তোলপাড়, বাংলাদেশের জবাব মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র গিনিতে ফুটবল ম্যাচে সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে প্রায় ১০০ নিহত পুতিনের লিমোজিনে বিস্ফোরণ, হত্যাচেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ভারতে আবারও ২২ মাওবাদী নিহত দক্ষিণী নির্মাতার হাত ধরে খলনায়ক হয়ে ফিরছেন শাহরুখ ২০ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে যাবে যাদের জিমেইল টিকটক নিষিদ্ধ হলো যুক্তরাষ্ট্রের ২০টির বেশি অঙ্গরাজ্যে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন হান কাং বিশ্বসেরার স্বীকৃতি পেল ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর ‘মেগা’ ভূমিকম্পে জাপানে ৩ লাখ মানুষের প্রাণ যেতে পারে নিভে গেল বাতিঘর..... গুগল-অ্যাপলকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে দামি ব্র্যান্ড অ্যামাজন পড়াশোনা শেষে ব্রিটেনে থাকতে পারবেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা
Update : 3 April, 2018 02:11

দলিতদের বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, নিহত ৫

দলিতদের বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, নিহত ৫
মেইল রিপোর্ট :

ভারতে সুপ্রিমকোর্টের ‘তফসিলি জাতি-উপজাতি অত্যাচার বন্ধ আইন’ শিথিলকরণের রায়কে কেন্দ্র করে ক্ষোভ-প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে উত্তর ও মধ্য ভারত। 

দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা ২০ মার্চ দেয়া এই রায়কে কেন্দ্র করে সোমবার ‘ভারত বন্ধ’র ডাক দেন।

এর প্রেক্ষিতে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাট। মধ্যপ্রদেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। বাড়মেরে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ ২৫ জন আহত হয়।

এ দিন সকালেই রাস্তায় নেমে পড়েন সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীরা রেল অবরোধ, সড়ক অবরোধ, দোকানপাট বন্ধ, ভাঙচুর ও গাড়ি জ্বালিয়ে দেন। অবরোধ করা হয় রেল চলাচল। পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবেলায় লাঠি চার্জ এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এছাড়া কারফিউ ও মধ্যপ্রদেশের কিছু এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পাঞ্জাবে সোমবার ১১ টা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা স্থগিত করা হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাজ্যটির স্কুল কলেজ বন্ধ রাখা ছাড়াও স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই-র দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষা। রাজ্যটিতে দলিত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩২ শতাংশ।

এর আগে ২০ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের উপর অত্যাচার বন্ধের আইন সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই নিয়োগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এই আইনে কোনও সরকারি কর্মীকে গ্রেফতার করা যাবে না। আদালতের রায়ে আরো বলা হয়, একই আদেশ কোন সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে তাঁকে গ্রেফতারের আগে ডিএসপি পদমর্যাদার পুলিশকে দিয়ে তা তদন্ত করাতে হবে। এর প্রতিবাদে রাষ্ট্রীয় সেবা দল, ন্যাশনাল দলিত মুভমেন্ট ফর জাস্টিস, সিআইটিইউ, ভারিপ বহুজন এর মত সংগঠনগুলো দাবি করে এই রায় দলিত স্বার্থের পরিপন্থী।

এদিকে দলিতদের অধিকার আইন শিথিল করণকে চ্যলেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও আইনমন্ত্রী। দলিত সংগঠনগুলিকে বিক্ষোভ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে, কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী দলিতদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, দলিতদের সমাজের নিচুস্তরে রাখা বিজেপির রক্তে বইছে। সেই সঙ্গে তাদের ধারণার বিরোধীদের কঠোর হস্তে দমন করা হচ্ছে। 

উপরে