শিরোনাম
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের বক্তব্যে ভারতে তোলপাড়, বাংলাদেশের জবাব মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র গিনিতে ফুটবল ম্যাচে সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে প্রায় ১০০ নিহত পুতিনের লিমোজিনে বিস্ফোরণ, হত্যাচেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ভারতে আবারও ২২ মাওবাদী নিহত দক্ষিণী নির্মাতার হাত ধরে খলনায়ক হয়ে ফিরছেন শাহরুখ ২০ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে যাবে যাদের জিমেইল টিকটক নিষিদ্ধ হলো যুক্তরাষ্ট্রের ২০টির বেশি অঙ্গরাজ্যে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন হান কাং বিশ্বসেরার স্বীকৃতি পেল ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর ‘মেগা’ ভূমিকম্পে জাপানে ৩ লাখ মানুষের প্রাণ যেতে পারে নিভে গেল বাতিঘর..... গুগল-অ্যাপলকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে দামি ব্র্যান্ড অ্যামাজন পড়াশোনা শেষে ব্রিটেনে থাকতে পারবেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা
Update : 6 February, 2019 02:08

তিনদিনের মাথায় ‘সত্যাগ্রহ’ প্রত্যাহার করলেন মমতা ব্যানার্জি

তিনদিনের মাথায় ‘সত্যাগ্রহ’ প্রত্যাহার করলেন মমতা ব্যানার্জি
মেইল রিপোর্ট :

তিনদিনের মাথায় ধর্না প্রত্যাহার করলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসার পর রাজনৈতিক মহলের ধারনা হয়েছিল ধর্না প্রত্যাহার করে নেবেন। সে অনুসারে ধর্না তুলে নিলেন মমতা। 

মমতা বলেন, ১৩ এবং ১৪ তারিখ দিল্লিতে ধর্না হবে। সংবিধান এবং গণতন্ত্র রক্ষা করতে ধর্না করেছেন বলে তিনি জানান। তার পাশে ছিলেন চন্দ্রবাবু নায়ডু। 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সকালে এইচ ডি দেবেগৌড়ার সঙ্গে আমার  কথা হয়েছে। তাছাড়া চন্দ্রবাবু এসেছেন, তেজস্বীও আছেন। সবাই আলোচনা করে ঠিক করেছি আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ধর্না হবে। 

মমতার পাশে দাঁড়িয়ে চন্দ্রবাবু বলেন, আদালতের রায় সংবিধানের জয়। আদালত ভালো রায় দিয়েছে তাই আমরা সবাই ম্যাডাম (মুখ্যমন্ত্রী)কে ধর্না প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করি, উনি সেই অনুরোধ রেখেছেন বলে ধন্যবাদ। পাশাপাশি রাজ্যের ভোটারদের তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে রাজ্যের ৪২টি আসনেই  মমতাকে জিতিয়ে দিতে হবে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রাজ্যপালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার একজন আইপিএস  অফিসার হয়েও রাজনৈতিক ধর্না মঞ্চে গিয়েছিলেন? 

মমতা বলেন, রাজীব কুমার ধর্না দিতে আসেননি, নিরাপত্তার কারণে এসেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী থেকে  শুরু করে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেয়াই তার কাজ। তিনি সেটাই করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার কথা উল্লেখ করে  মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আপনি তো সেদিন ঠাকুর নগরে সভা করেলেন। তখন  কতজন সিআরপিএফ জওয়ান আপনার  সঙ্গে ছিলেন? আপনার সভায় থাকলে সমস্যা নেই, আর অন্য কারো সভায় থাকলেই সমস্যা?

উপরে